Saturday March 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৯:৩২ PM

উদ্ভাবনী প্রকল্পসমূহ

কন্টেন্ট: পাতা

ৎস্য অধিদপ্তরে ই-গর্ভন্যান্স ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরিকল্পনা রয়েছে যা ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে জনগণের কাছে তথ্য পৌঁছে দিতে এবং সেবার মান উন্নত করতে সহায়তা করে। এখানে ই-গভর্ন্যান্স কর্মপরিকল্পনা, উদ্ভাবনী প্রকল্প, এবং ই-সেবাসমূহ (যেমন মৎস্য হ্যাচারি নিবন্ধন, মৎস্য খাদ্য লাইসেন্সিং) অন্তর্ভুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে মৎস্য খাতের উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করা হয়।
ই-গর্ভন্যান্স ও পরিকল্পনা:

  • ডিজিটাল সেবা:মৎস্য অধিদপ্তর ই-গর্ভন্যান্সের মাধ্যমে জনগণের কাছে সরকারি সেবা সহজলভ্য করার চেষ্টা করে। এর মধ্যে মৎস্য হ্যাচারি নিবন্ধন এবং মৎস্যখাদ্যের লাইসেন্সিংয়ের মতো সেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
  • কর্মপরিকল্পনা:অধিদপ্তর বার্ষিক ও ত্রৈমাসিক ই-গর্ভন্যান্স ও উদ্ভাবন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করে, যা ডিজিটাল মাধ্যমে সেবা প্রদান এবং উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
  • উদ্ভাবনী প্রকল্প:উদ্ভাবনী প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে মৎস্য খাতের উন্নতি সাধন করা হয়।
  • তথ্য প্রদান:বাংলাদেশ সরকারের সকল স্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাপ্তরিক তথ্য মৎস্য অধিদপ্তরের ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
ই-গভর্ন্যান্সের উদ্দেশ্য:

  • স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা:ডিজিটাল সেবার মাধ্যমে সরকারি কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করা।
  • সেবার মান উন্নয়ন:সেবা প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করে জনগণের সন্তুষ্টি অর্জন করা।
  • দক্ষতা বৃদ্ধি:প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাপ্তরিক কাজের দক্ষতা বাড়ানো এবং কার্য সম্পাদনে গতি আনা।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন